আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঈদকে সামনে রেখে মানুষের শহর থেকে গ্রামে যাওয়ার প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলতে পারে। পরিস্থিতি অবনতিশীল, শপিংমল ফেরিঘাটসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ভিড় তৈরি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রকারান্তরে নিজেদের এবং চারপাশের মানুষের জীবনে গভীর অমানিশা নেমে আসবে। এভাবে চলতে থাকলে দুর্যোগের অন্ধকারাচ্ছন্ন অতিক্রমের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

আজ শনিবার রাজধানী ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কার্যালয়ে দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে। আমি সংস্থাটিকে জানাতে চাই, আপনারা ইউরোপ আমেরিকাসহ উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকান। সেসব দেশেও নানান সীমাবদ্ধতা নিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছে। কারোই স্বাস্থ্যব্যবস্থা খুব সবল এমন প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে, সীমাবদ্ধতা সত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সক্ষমতা বাড়াতে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

তিনি বলেন, এখন ৪১টি কেন্দ্রে টেস্ট করা হচ্ছে। সুরক্ষা সামগ্রী সংগ্রহ বাড়ছে দিন-দিন। নতুন করে চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন।

ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *